প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৭ মে হচ্ছে না

Breaking News: প্রধান সংবাদ বিবিধ শিক্ষা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা আগামী ১৭ মে থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল।কিন্তু এই পরীক্ষা ওই তারিখে হচ্ছে না। ওইদিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি পরীক্ষা থাকায় পূর্বঘোষিত প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা পেছানো হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বৃহস্পতিবার (৯ মে)
এই পরীক্ষা পিছানোর তথ্য নিশ্চিত করেন।

মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, আমরা এর আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আগামী ১৭ মে থেকে পরীক্ষা শুরু করা সম্ভব হবে। কিন্তু ওইদিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি পরীক্ষা থাকায় নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। অন্য কোনো কারণে নয়। ১৭ মের নিয়োগ পরীক্ষা ২১ জুন নেওয়া হবে। তবে ৪ ধাপেই নিয়োগ পরীক্ষা শেষ হবে বলে জানান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

এর আগে ১০ মে এ পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। তার আগেও আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-১৮’ লিখিত পরীক্ষা শুরুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মন্ত্রণালয়। তবে এসএসসি পরীক্ষার কারণে সেটি পিছিয়ে মার্চে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ১০ মের পরিবর্তে ১৭ মে নেওয়া হয়েছিল। এবার পরিবর্তন করা হলো আবার।

এবার নিয়োগ পরীক্ষা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তত্ত্বাবধানে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষার আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। পৌর এলাকার মধ্যে এবার পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবেদনকারীর আসন বুয়েট অত্যাধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দেবে। একই সঙ্গে আবেদনকারীর আসন বণ্টন অনুযায়ী প্রশ্নের সেট নির্ধারণ করে দেবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার ২০ সেট প্রশ্ন তৈরি করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। সে হিসাবে প্রতি আসনে লড়বেন ২০০ জন।

এবার সর্বোচ্চ আবেদন জমা পড়েছে চট্টগ্রাম জেলায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে । এ জেলায় মোট ৯৮ হাজার ৯৬৯টি আবেদন পড়েছে। এরপরে ময়মনসিংহ জেলায় ৮৮ হাজার ২১৮টি, দিনাজপুরে ৬২ হাজার ৯৭১টি, কুমিল্লায় ৮৪ হাজার ৭২৮টি, রংপুরে ৫৯ হাজার ৭১টি, বগুড়ায় ৬৪ হাজার ৭২৭টি, জয়পুরহাটে ১৮ হাজার ১৭৮টি, জামালপুর ৫০ হাজার ৫০টি, টাঙ্গাইলে ৬১ হাজার ৬৩০টি, যশোরে ৫৫ হাজার ৯৩২টি, নওগাঁয় ৪৯ হাজার ৮৬৩টি, ঢাকায় ৬৪ হাজার ৫৫৮, বরিশালে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৮২টি, সিলেট জেলায় ৫০ হাজার ৩৭০টি আবেদন জমা পড়েছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *