দুলাভাই হাত-পা চেপে ধরলো, শ্যালক ধর্ষণ করলো

Breaking News: প্রধান সংবাদ সারাদেশ

বাংলাদেশে ধর্ষণ বেড়েই চলছে। শুধু বাংলাদেশে নয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ধর্ষণ মনে হয় আগের চেয়ে বেড়েই গেছে। তবে, বাংলাদেশে সম্প্রতি ধর্ষণের ঘটনা বেশি ঘটছে। নারী, শিশু কেউ নন নিপাপদ নয় এখন। ছোট শিশুকে ধর্ষণ করছেন অনেক নরপশু। ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া এখন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই কয়েকিদিন আগেই ফেনীর মাদ্রাসার হুজুর একছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা করেন। আর এই ছাত্রী ওই হুজুরের বিরুদ্ধে মামলা করলে সেই মাদ্রাছাত্রী নুসরাতকে পুড়িয়ে মারলেন। আর এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সারদেশের মানুষ খুনির বিচার চেয়ে আন্দোলন করলো। তবে, থেমে থাকেনি ধর্ষণের ঘটনা।

এর আগে রাজনৈতিক কারণে এক প্রভাবশালী তার এলাকার এক গৃহবধূকে দলবেধে গণধর্ষণ করলো। এটা নিয়ে কম আরোচনা-সমালোচনা হয়নি।

এগুলো শেষ না হতেই এবার নতুন একটি ঘটনা আসলো। মাদ্রাসা এক ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করলো বখাটে। আর সেই ধর্ষণের সহযোগিতা করলো ধর্ষকের দুলাভাই এমনটাই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় মাদরাসায় যাওয়ার পথে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় শ্যালক ও দুলাভাইসহ তিনজন।

১১ এপ্রিল সকালে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে জাকারিয়া, তার দুলাভাই মাহবুব ও সবুজ। পরে ছাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে বিয়ে করে জাকারিয়া। ১২ এপ্রিল রাতে ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে জাকারিয়া। সেই সঙ্গে ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে তারা। এটা কতটা ন্যাক্কারজনক সকাজ করছে। বিয়ের নামে ধর্ষণ। আর সেই ধর্ষণে সহযোগিতা করেছে তার দুই দুলাভাই।

এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছে ধর্ষণের শিকার ছাত্রী। অভিযুক্ত পাঁচজনের মধ্যে তিনজন সম্পর্কে শ্যালক ও দুলাভাই। অভিযুক্তরা হলো- পাথরঘাটা উপজেলার চর লাঠিমারা এলাকার আবু মিয়ার ছেলে জাকারিয়া (২০), জাকারিয়ার দুলাভাই মাহবুব (৩২) ও সবুজ (২৪) এবং অজ্ঞাত আরও দুইজন।

পরে ছাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্থানীয় একজন মৌলভীর মাধ্যমে তাকে বিয়ে করে জাকারিয়া। বিয়ের কাজ শেষে যে যার মতো করে চলে যায়। পরেরদিন ১২ এপ্রিল রাতে ছাত্রীর সঙ্গে রাত্রিযাপন করতে যায় জাকারিয়া। এতে বাধা দেয় ছাত্রী। এ সময় জাকারিয়া জোরপূর্বক ছাত্রীর সঙ্গে মেলামেশা করতে চাইলে চিৎকার দেয় ছাত্রী। তার চিৎকার শুনে জাকারিয়ার দুলাভাই মাহবুব এবং সবুজ ও অজ্ঞাত আরও দুই যুবক ছাত্রীর ঘরে প্রবেশ করে।

পরে দুলাভাই মাহবুব এবং সবুজ ছাত্রীর হাত-পা চেপে ধরে। ওই সময় ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে জাকারিয়া। সেই সঙ্গে ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে ঘরে অবস্থান করা অজ্ঞাত এক যুবক।

পরে ছাত্রীকে উদ্ধার করা হলে ওই ছাত্রী এদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। আর অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ধর্ষণ নিয়ে এখন বেশ আলোচনায় বাংলাদেশে। এর আগে ধর্ষণের পরে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত দুইজন হত্যা করে তার আগে লেখে দেওয় হয়েছিল, হারকিউলিক। সেটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি ওই সময়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *