চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় তীব্র প্রক্রিয়া

Breaking News: চাকরি প্রধান সংবাদ শিক্ষা সরকারি

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়াতে সংসদ অধিবেশনে আনা সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে গেছে। এখন আপাতত যারা সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার জন্য দাবি করে আসছিলেন, তাদের সেই আশা পূরণ হলো না। চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করার জন্য দীর্ঘ দিন থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছেন। সেই আলোকে বৃহস্পতিবার রাতে সংসদের বেসরকারি দিবসে বগুড়া-৭ থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র এমপি মো. রেজাউল করিম বাবলু প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। কিন্তু জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন তা নাকচ করে দেন। ফলে বয় বাড়ানোর সম্ভাবনা একেবারে আর নেই বলেই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আর এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করার পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। আন্দোলনকারীরা সরকারকে আক্রমন করে পোস্ট দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

তার এ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে ১০ জন সংসদ সদস্য সমর্থন দিয়ে সংশোধনী দেন।

এই প্রস্তাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির পরিস্থিতি এখন ভালো। এখন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত পড়ালেখা হচ্ছে। সেশনজট হচ্ছে না। এজন্য একজন শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষের পর ৬ থেকে ৭ বছর পান। এ সময় তারা বহু চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

এরপর প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রস্তাবকারী স্বতন্ত্র এমপি তার প্রস্তাব তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে পরে ভোট দেওয়া হয়। সংসদে আওয়ামী লীগের একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকায় ভোটে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান হয়।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করার পরপরই জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের বাসার সামনে কিছু বয়স বাড়ানোর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী অবস্থান নেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, সংসদে তাদের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাবটি পাশ করানো হোক। তারা এটা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন।

এছাড়াও এই বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করানোর বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। বয়স বাড়ানোর আন্দোলনকারীরা সরকারকে নানাভাবে তীরস্কার করছেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *