চতুর্থ ধাপের উপজেলা ভোটে আ.লীগ ৪৫, বিদ্রোহী ও অন্যান্য ৩৩

Breaking News: জাতীয় প্রধান সংবাদ বাংলাদেশ

চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো রোববার। এ নির্বাচনে ১০৭ উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২৪ জন প্রার্থী। এবারের উপজেলা নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তেমন আগ্রহ নেই বলে অনেকেই মনে করছেন। তাই ভোটারের উপস্থিতিও অন্য যেকোনো বারের চেয়ে কম বলে জানা গেছে।

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ১০৭টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা সরাসরি ভোটে জয়ী হয়েছেন ৪৫টি উপজেলায়। আর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, স্বতন্ত্র, জাতীয় পার্টি ( জেপি) ও বিএনপির বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৩৩টি উপজেলায়। তবে এই ১০৭টি উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতা আরও ২৪টিসহ চতুর্থ ধাপে বিনা ভোটে জেতা উপজেলা চেয়ারম্যানের সংখ্যা মোট ৩৯।

এই নির্বাচনের আগেই এই ১০৭টি উপজেলার মধ্যে ২৪টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। আর চতুর্থ দফায় যে ১২২টি উপজেলার জন্য নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করে তার মধ্যে ১৫টি উপজেলায় উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যানের সব পদেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। ফলে এ নির্বাচনের আগেই বিনা ভোটে বিজয়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যানের সংখ্যা ছিল ৩৯।

প্রথম তিন দফায় বিভিন্ন কারণে স্থগিত থাকা আরও ৬টি উপজেলার ভোট এই ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ নির্ধারিত তফসিলের ১২২টি ও অন্যান্য ধাপের ৬টি মিলে মোট ১২৮টি উপজেলা এই ধাপের জন্য বিবেচিত ছিল। এর মধ্যে ৬টি উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। তবে বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার যে ধারা উপজেলা নির্বাচনে চলছে তাতে যেসব উপজেলায় ভোট হয়েছে সেখানেও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। অনেক ভোটকেন্দ্রে দিনভর ভোটার এসেছেন হাতে গোনা কয়েকজন।

অনেক মনে করছেন, ভোটাররা আর আগের মতো ভোট দিতে আগ্রহ পাচ্ছেন না। আগের মতো ভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে মাতামাতি নেই। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে বলেছেন, ভোটার উপস্থিত করার দায়িত্ব তাদের নয়। তারা সুষ্ঠু ভোট আয়োজন করে থাকেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *