আট বিষয়ে কাজ করতে ঐকমত্য বিজিবি-বিএসএফ

জাতীয় প্রধান সংবাদ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে ৪৭তম সীমান্ত সম্মেলন আজ জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশন (জে আর ডি) স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে।

গত ৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া এই সম্মেলন শেষে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে অনুসন্ধান ও মানব পাচার রোধসহ আটটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছে একসঙ্গে কাজ করার যৌথ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সম্মেলন শেষে গতকাল যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক সাফিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ক্রমেই উন্নত হচ্ছে। প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের বেশি। তাই ব্যাপক হারে দেশত্যাগের ঘটনা আর ঘটে না।

আর বিএসএফ মহাপরিচালক কে কে শর্মা দাবি করেন, চলতি বছরে সীমান্তে একজনেরও মৃত্যু হয়নি।

সাফিনুল ইসলাম আরো বলেন, বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক হারে অনুপ্রবেশের কোনো ঘটনা ঘটে না। যেটুকু পারাপার হয় তার কারণ নিতান্তই পারিবারিক। সীমান্তের দু’পাশে একই পরিবারের মানুষের বসবাস। পারিবারিক অনুষ্ঠানে যাওয়া আসা স্বাভাবিক।

সম্মেলন শেষে গতকাল সীমান্ত হত্যা বন্ধে পদক্ষেপ; বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর অনুসন্ধান; সীমান্ত লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা; মানব পাচার রোধ; জাল মুদ্রা পাচার রোধ; আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তে উন্নয়ন; ক্রাইম ফ্রি জোন ঘোষণা; সুসম্পর্ক আরো বৃদ্ধির মতো আটটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছে একসঙ্গে কাজ করার যৌথ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালক কে কে শর্মার নেতৃত্বে ২০ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, মহাপরিচালক পর্যায়ের পরবর্তী সীমান্ত সম্মেলন ২০১৯ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠানের ব্যাপারে উভয়পক্ষ নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। সম্মেলন শেষে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আজ শনিবার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *